জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের প্রথম মহাপরিচালক হিসেবে আমি ৩-১১-২০৯৯ তারিখে যোগদান করে কর্মরত আছি। যোগদানের পর থেকে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ বাস্তবায়নের কার্যক্রম একটি চ্যালেঞ্জ হিসেবে প্রতিয়মান হয়। প্রারম্ভে কোন জনবল ও বাজেট বরাদ্দ না থাকা সত্বেও এ চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে একটি কক্ষে অফিস স্হাপন করে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম শুরু করি। ২৪-১১-২০০৯ তারিখে সরকার মাননীয় বাণিজ্য মন্ত্রীকে চেয়ারম্যান এবং আমাকে সচিব করে ২৯ সদস্যবিশিষ্ঠ জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ গঠন করে। ৯-১২-২০০৯ তারিখে অনুষ্ঠিত পরিসদের প্রথম সভার সিদ্ধান্ত ও দিকনির্দেশনা মোতাবেক স্বল্প সময়ের মধ্যে অধিদপ্তরের প্রধান কার্যালয় স্হাপন এবং সাংগঠনিক কাঠামো (টিওএন্ডই), ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ (সভা ও কার্যক্রম) বিধিমালা, ২০১০, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ তহবিল (হিসাব ও নিরীক্ষা) প্রবিধানমালা, ২০১১ প্রণয়ন করা হয়। অধিদপ্তরের নিয়োগ বিধিমালা অনুমোদনের চুড়াত্ম পর্যায়ে রয়েছে। নিয়োগ বিধিমালা জারী হওয়ার পর পর্যায়ক্রমে নিয়োগ কার্যক্রম গ্রহণ করা হবে। ইতিমধ্যে অধিদপ্তরের বিভাগীয় কার্যালয়সমূহ স্হাপিত হয়েছে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় প্রথমে ৩ জন উপ সচিবকে অধিদপ্তরে কাজ করার জন্য সংযুক্ত করে। পরবর্তিতে বিভিন্ন সময়ে প্রেষণে ও সংযুক্তিতে ১৪ জন উপ সচিব ও ২ জন সিনিয়র সহকারী সচিব অধিদপ্তরে যোগদান করে কর্মরত আছেন। ৬-৪-২০১০ তারিখে বাজার মনিটরিং কার্যক্রমের মাধ্যমে আইনটি বাস্তবায়ন শুরু করা হয়। বর্তমানে বিভাগ, জেলা ও গুরুত্বপূর্ন বাণিজ্যিক এলাকায় বাজার মনিটরিং কাযক্রম অব্যাহত আছে। সাথে সাথে আইনটি জনগণের নিকট তুলে ধরার জন্য প্রচারমূলক কাজও অব্যাহত আছে।
প্রতিষ্ঠালগ্নের বহুবিধ সীমাবদ্ধতা পর্যায়ক্রমে অতিক্রম করে আইনটি বাস্তবায়নে পরিষদ ও বাণিজ্যমন্ত্রণালয়ের দিক নির্দেশনায় সহকর্মীদের নিয়ে সাধ্যাতীত কাজ করে যাচ্ছি। ফলশ্রুতিতে প্রতিদিন ক্রেতা-বিক্রেতা তথা ভোক্তাসাধারণ সচেতন ও উপকৃত হচ্ছেন। আইনটি বাস্তবায়নে সরকারী-বেসরকারী প্রতিষ্ঠান এবং ভোক্তাদের সহযোগীতা কামনা করছি।
(মোঃ আবুল হোসেন মিঞা)
মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব)
জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর
|